পিরোজপুরের নেছারাবাদে জমিজমা নিয়ে বিরোধের জেরে মোরসালিন (৩৫) নামে এক যুবককে মারধর করে হাত-পা বেঁধে নিজ বাড়িতে ফেলে রাখার অভিযোগ উঠেছে তাঁর তিন সৎ ভাইয়ের বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলার আরামকাঠি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পরে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে প্রতিবেশী ও স্থানীয় লোকজন তাঁকে উদ্ধার করেন।
মোরসালিনের পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টার দিকে জমিজমা নিয়ে বিরোধের জেরে বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে তাঁর সৎ ভাই মাহমুদুল্লাহ, মহব্বুল্লা ও মাকসুদুল্লাহ তাঁকে মারধর করেন। পরে তাঁর হাত-পা বেঁধে বাড়িতে ফেলে রাখা হয়। পরিবারের দাবি, অন্ধকার হওয়ার পর তাঁকে বস্তাবন্দী করে অন্যত্র ফেলে দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল তার সৎ ভাইয়ের ।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, মোরসালিনের বাবা নুরুল ইসলাম ওরফে নূর মোহাম্মদের দুই সংসার। দুই সংসারে তাঁর মোট আট ছেলে ও দুই মেয়ে। মোরসালিন প্রথম স্ত্রীর সন্তান। প্রথম সংসারের চার সন্তান ঢাকায় থাকেন ও মোরসালিন চট্রগ্রাম থাকেন। দ্বিতীয় সংসারের সন্তানদের মধ্যে মাহমুদুল্লাহ, মহব্বুল্লা ও মাকসুদুল্লাহ তারা বাড়িতেই থাকেন বলে পরিবারের সদস্যরা জানান।
পরিবারের সদস্যরা আরও জানান, বাড়িতে মোরসালিনের অবস্থার বিষয়টি প্রতিবেশীরা টের পান। পরে স্থানীয় লোকজন ও গ্রাম পুলিশকে খবর দেওয়া হলে তাঁরা সেখানে গিয়ে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে মোরসালিনকে উদ্ধার করেন। পরে শুক্রবার পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।
আহত মোরসালিনকে নেছারাবাদ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। তিনি বর্তমানে সেখানে চিকিৎসাধীন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত মাহমুদুল্লাহ, মহব্বুল্লা ও মাকসুদুল্লাহর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। পুলিশ জানিয়েছে, বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।