জিবিএন বাংলা

চিকিৎসাসেবায় অক্সিজেনের সমতাভিত্তিক প্রাপ্যতা নিশ্চিতের তাগিদ



চিকিৎসাসেবায় অক্সিজেনের সমতাভিত্তিক প্রাপ্যতা নিশ্চিতের তাগিদ
ছবি-সংগৃহীত

দেশে চিকিৎসাসেবায় অক্সিজেনের চাহিদা বাড়লেও প্রয়োজন অনুযায়ী অবকাঠামো ও সরবরাহব্যবস্থায় বিনিয়োগ হয়নি। কোভিড-১৯ মহামারির সময় স্থাপন করা অক্সিজেন প্ল্যান্ট ও সরবরাহব্যবস্থার বড় অংশ বর্তমানে অকেজো হয়ে পড়েছে। এতে প্রত্যন্ত ও সুবিধাবঞ্চিত অঞ্চলে চিকিৎসাসেবায় অক্সিজেনের সংকট আরও প্রকট হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে চিকিৎসাসেবায় অক্সিজেনের সমতাভিত্তিক প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার তাগিদ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

মঙ্গলবার রাজধানীর ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশে (আইইউবি) আয়োজিত এক নীতি-সংলাপে এ তাগিদ দেওয়া হয়। আইইউবির সেন্টার ফর হেলথ, ইমপ্লিমেন্টেশন অ্যান্ড পলিসি সায়েন্সেস (চিপস) আয়োজিত ‘ফ্রম এভিডেন্স টু অ্যাকশন: স্ট্রেংদেনিং ইকুইটেবল অ্যাকসেস টু মেডিকেল অক্সিজেন ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক সংলাপটি বিশ্ববিদ্যালয়ের মাল্টিপারপাস হলে অনুষ্ঠিত হয়। এতে সহযোগিতা করে আইইউবির স্কুল অব ফার্মেসি অ্যান্ড পাবলিক হেলথ।

সংলাপে বক্তারা বলেন, মহামারির সময় অক্সিজেন সরবরাহের সক্ষমতা বাড়াতে দেশের বিভিন্ন স্থানে প্ল্যান্ট ও অন্যান্য অবকাঠামো তৈরি করা হলেও সেগুলোর অনেকটাই এখন অচল। প্রয়োজনীয় রক্ষণাবেক্ষণ, দক্ষ জনবল ও সরবরাহব্যবস্থার অভাবে বিশেষ করে প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষ এর সুফল থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। অক্সিজেনের অভাবে স্ত্রীরোগ ও প্রসূতি রোগী এবং শিশুদের চিকিৎসায়ও নানা সংকট তৈরি হচ্ছে।

অক্সিজেন থেরাপি বিষয়ে চিকিৎসকদের দক্ষতা বাড়াতে এমবিবিএস ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ের চিকিৎসা শিক্ষায় বিষয়টি আরও গুরুত্ব দিয়ে অন্তর্ভুক্ত করার সুপারিশ করেন বক্তারা। পাশাপাশি মাঠপর্যায়ের স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ, জ্ঞান ও উপকরণ দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন তাঁরা।

বিদ্যুৎ-সংযোগহীন এলাকায় প্রচলিত অক্সিজেন কনসেনট্রেটর ব্যবহারের সীমাবদ্ধতার কথা তুলে ধরে বক্তারা সৌরশক্তিচালিত অক্সিজেন কনসেনট্রেটর ব্যবহারের পরামর্শ দেন। তাঁদের মতে, প্রত্যন্ত এলাকায় এ ধরনের ব্যবস্থা চালু করা গেলে অক্সিজেনের সংকটে মৃত্যুহার কমানো সম্ভব। সোমালিয়ায় সৌরশক্তিচালিত অক্সিজেন সরবরাহব্যবস্থা ব্যবহারের উদাহরণও তুলে ধরা হয়।

সংলাপে প্রধান অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. ফোয়ারা তাসমিম। বিশেষ সম্মানিত অতিথি ছিলেন রেডিয়েন্ট ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান মো. নাসের শাহরিয়ার জাহেদী। বিশেষ অতিথি ছিলেন আইইউবির বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান দিদার এ হোসেইন। সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ম. তামিম।

অধ্যাপক ডা. ফোয়ারা তাসমিম বলেন, অক্সিজেনের সমতাভিত্তিক প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে একজন সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে তাঁর করণীয় সম্পর্কে সংলাপ থেকে তিনি স্পষ্ট ধারণা পেয়েছেন। গবেষণালব্ধ তথ্যকে নীতিনির্ধারণী উদ্যোগে রূপ দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, অকেজো হয়ে পড়া অক্সিজেন অবকাঠামো মেরামতের পাশাপাশি স্থানীয় জনবলকে প্রশিক্ষণ দেওয়া জরুরি। এতে তাঁরা কোন রোগীর কতটা অক্সিজেন প্রয়োজন, তা যথাযথভাবে নির্ধারণ করতে পারবেন। স্বল্পমূল্যে মানসম্পন্ন অক্সিজেন থেরাপি নিশ্চিত করতে সরকারকে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দিতে তিনি বিজ্ঞানী ও বিশেষজ্ঞদের আহ্বান জানান।

মো. নাসের শাহরিয়ার জাহেদী বলেন, সরকারের অত্যাবশ্যকীয় ওষুধ নীতিতে অক্সিজেনকে অত্যাবশ্যকীয় উপাদান হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। তাই অক্সিজেনের গুণগত মান ও সরবরাহ অবকাঠামোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি। এ ক্ষেত্রে সরকার, বেসরকারি খাত, জনহিতৈষী প্রতিষ্ঠান ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। স্থানীয়ভাবে অক্সিজেন উৎপাদনের সম্ভাবনা যাচাইয়ে ঝিনাইদহে আইইউবি ও জাহেদী ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে একটি সমীক্ষা পরিচালনার কথাও জানান তিনি।

চিপসের পরিচালক ডা. এস এম মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, সংলাপে উঠে আসা আলোচনা ও সুপারিশগুলো একত্র করে একটি নীতিপত্র তৈরি করা হবে। পরে তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হবে। অক্সিজেনের সমতাভিত্তিক প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে নীতিপত্রে সুনির্দিষ্ট সুপারিশ থাকবে।

তিনি জানান, বিষয়টি আরও এগিয়ে নিতে আইসিডিডিআর,বি ও অক্সিজেন নেটওয়ার্কের সহযোগিতায় আগামী অক্টোবরে আইইউবিতে একটি অক্সিজেন সামিট আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। এতে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন খাতের অংশীজনদের যুক্ত করা হবে।

সংলাপে ‘রিডিউসিং গ্লোবাল ইনইকুইটিজ ইন মেডিকেল অক্সিজেন অ্যাকসেস: দ্য ল্যানসেট গ্লোবাল হেলথ কমিশন অন মেডিকেল অক্সিজেন সিকিউরিটি’ শীর্ষক মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন আইসিডিডিআর,বির বিজ্ঞানী ডা. এহসানুর রহমান।

পরে অনুষ্ঠিত প্যানেল আলোচনায় অংশ নেন ঢাকার বারডেম জেনারেল হাসপাতাল ও ইব্রাহিম মেডিকেল কলেজের শিশু ও নবজাতক বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. মো. আবিদ হোসেন মোল্লা, আইসিডিডিআর,বির মাতৃ ও শিশু স্বাস্থ্য বিভাগের ইমেরিটাস বিজ্ঞানী ডা. শামস এল আরেফিন, চিকিৎসক ও রোগতত্ত্ববিদ ডা. মামুনুর রহমান মালিক এবং প্রথম আলোর বিশেষ প্রতিনিধি শিশির মোড়ল।

সংলাপে বাংলাদেশ মেডিকেল রিসার্চ কাউন্সিল (বিএমআরসি), ঢাকা মেডিকেল কলেজ, বাংলাদেশ সোসাইটি অব মেডিসিন, অবসটেট্রিক অ্যান্ড গাইনোকোলজি সোসাইটি অব বাংলাদেশ, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, ইউনিসেফ, ইউএনওপিএস ও ইউএনডিপির প্রতিনিধিরা অংশ নেন। এ ছাড়া আইইউবির স্কুল অব ফার্মেসি অ্যান্ড পাবলিক হেলথের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরাও উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন স্কুল অব ফার্মেসি অ্যান্ড পাবলিক হেলথের ডিন ডা. কামরান উল বাছেত। আইইউবির ট্রাস্টি রাশেদ চৌধুরী ও ড. হোসনে আরা আলীও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

বিষয় : অক্সিজেন প্ল্যান্ট চিকিৎসা

জিবিএন বাংলা

বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬


চিকিৎসাসেবায় অক্সিজেনের সমতাভিত্তিক প্রাপ্যতা নিশ্চিতের তাগিদ

প্রকাশের তারিখ : ১৯ আগস্ট ২০২৬

featured Image

দেশে চিকিৎসাসেবায় অক্সিজেনের চাহিদা বাড়লেও প্রয়োজন অনুযায়ী অবকাঠামো ও সরবরাহব্যবস্থায় বিনিয়োগ হয়নি। কোভিড-১৯ মহামারির সময় স্থাপন করা অক্সিজেন প্ল্যান্ট ও সরবরাহব্যবস্থার বড় অংশ বর্তমানে অকেজো হয়ে পড়েছে। এতে প্রত্যন্ত ও সুবিধাবঞ্চিত অঞ্চলে চিকিৎসাসেবায় অক্সিজেনের সংকট আরও প্রকট হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে চিকিৎসাসেবায় অক্সিজেনের সমতাভিত্তিক প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার তাগিদ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

মঙ্গলবার রাজধানীর ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশে (আইইউবি) আয়োজিত এক নীতি-সংলাপে এ তাগিদ দেওয়া হয়। আইইউবির সেন্টার ফর হেলথ, ইমপ্লিমেন্টেশন অ্যান্ড পলিসি সায়েন্সেস (চিপস) আয়োজিত ‘ফ্রম এভিডেন্স টু অ্যাকশন: স্ট্রেংদেনিং ইকুইটেবল অ্যাকসেস টু মেডিকেল অক্সিজেন ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক সংলাপটি বিশ্ববিদ্যালয়ের মাল্টিপারপাস হলে অনুষ্ঠিত হয়। এতে সহযোগিতা করে আইইউবির স্কুল অব ফার্মেসি অ্যান্ড পাবলিক হেলথ।

সংলাপে বক্তারা বলেন, মহামারির সময় অক্সিজেন সরবরাহের সক্ষমতা বাড়াতে দেশের বিভিন্ন স্থানে প্ল্যান্ট ও অন্যান্য অবকাঠামো তৈরি করা হলেও সেগুলোর অনেকটাই এখন অচল। প্রয়োজনীয় রক্ষণাবেক্ষণ, দক্ষ জনবল ও সরবরাহব্যবস্থার অভাবে বিশেষ করে প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষ এর সুফল থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। অক্সিজেনের অভাবে স্ত্রীরোগ ও প্রসূতি রোগী এবং শিশুদের চিকিৎসায়ও নানা সংকট তৈরি হচ্ছে।

অক্সিজেন থেরাপি বিষয়ে চিকিৎসকদের দক্ষতা বাড়াতে এমবিবিএস ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ের চিকিৎসা শিক্ষায় বিষয়টি আরও গুরুত্ব দিয়ে অন্তর্ভুক্ত করার সুপারিশ করেন বক্তারা। পাশাপাশি মাঠপর্যায়ের স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ, জ্ঞান ও উপকরণ দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন তাঁরা।

বিদ্যুৎ-সংযোগহীন এলাকায় প্রচলিত অক্সিজেন কনসেনট্রেটর ব্যবহারের সীমাবদ্ধতার কথা তুলে ধরে বক্তারা সৌরশক্তিচালিত অক্সিজেন কনসেনট্রেটর ব্যবহারের পরামর্শ দেন। তাঁদের মতে, প্রত্যন্ত এলাকায় এ ধরনের ব্যবস্থা চালু করা গেলে অক্সিজেনের সংকটে মৃত্যুহার কমানো সম্ভব। সোমালিয়ায় সৌরশক্তিচালিত অক্সিজেন সরবরাহব্যবস্থা ব্যবহারের উদাহরণও তুলে ধরা হয়।

সংলাপে প্রধান অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. ফোয়ারা তাসমিম। বিশেষ সম্মানিত অতিথি ছিলেন রেডিয়েন্ট ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান মো. নাসের শাহরিয়ার জাহেদী। বিশেষ অতিথি ছিলেন আইইউবির বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান দিদার এ হোসেইন। সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ম. তামিম।

অধ্যাপক ডা. ফোয়ারা তাসমিম বলেন, অক্সিজেনের সমতাভিত্তিক প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে একজন সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে তাঁর করণীয় সম্পর্কে সংলাপ থেকে তিনি স্পষ্ট ধারণা পেয়েছেন। গবেষণালব্ধ তথ্যকে নীতিনির্ধারণী উদ্যোগে রূপ দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, অকেজো হয়ে পড়া অক্সিজেন অবকাঠামো মেরামতের পাশাপাশি স্থানীয় জনবলকে প্রশিক্ষণ দেওয়া জরুরি। এতে তাঁরা কোন রোগীর কতটা অক্সিজেন প্রয়োজন, তা যথাযথভাবে নির্ধারণ করতে পারবেন। স্বল্পমূল্যে মানসম্পন্ন অক্সিজেন থেরাপি নিশ্চিত করতে সরকারকে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দিতে তিনি বিজ্ঞানী ও বিশেষজ্ঞদের আহ্বান জানান।

মো. নাসের শাহরিয়ার জাহেদী বলেন, সরকারের অত্যাবশ্যকীয় ওষুধ নীতিতে অক্সিজেনকে অত্যাবশ্যকীয় উপাদান হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। তাই অক্সিজেনের গুণগত মান ও সরবরাহ অবকাঠামোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি। এ ক্ষেত্রে সরকার, বেসরকারি খাত, জনহিতৈষী প্রতিষ্ঠান ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। স্থানীয়ভাবে অক্সিজেন উৎপাদনের সম্ভাবনা যাচাইয়ে ঝিনাইদহে আইইউবি ও জাহেদী ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে একটি সমীক্ষা পরিচালনার কথাও জানান তিনি।

চিপসের পরিচালক ডা. এস এম মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, সংলাপে উঠে আসা আলোচনা ও সুপারিশগুলো একত্র করে একটি নীতিপত্র তৈরি করা হবে। পরে তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হবে। অক্সিজেনের সমতাভিত্তিক প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে নীতিপত্রে সুনির্দিষ্ট সুপারিশ থাকবে।

তিনি জানান, বিষয়টি আরও এগিয়ে নিতে আইসিডিডিআর,বি ও অক্সিজেন নেটওয়ার্কের সহযোগিতায় আগামী অক্টোবরে আইইউবিতে একটি অক্সিজেন সামিট আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। এতে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন খাতের অংশীজনদের যুক্ত করা হবে।

সংলাপে ‘রিডিউসিং গ্লোবাল ইনইকুইটিজ ইন মেডিকেল অক্সিজেন অ্যাকসেস: দ্য ল্যানসেট গ্লোবাল হেলথ কমিশন অন মেডিকেল অক্সিজেন সিকিউরিটি’ শীর্ষক মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন আইসিডিডিআর,বির বিজ্ঞানী ডা. এহসানুর রহমান।

পরে অনুষ্ঠিত প্যানেল আলোচনায় অংশ নেন ঢাকার বারডেম জেনারেল হাসপাতাল ও ইব্রাহিম মেডিকেল কলেজের শিশু ও নবজাতক বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. মো. আবিদ হোসেন মোল্লা, আইসিডিডিআর,বির মাতৃ ও শিশু স্বাস্থ্য বিভাগের ইমেরিটাস বিজ্ঞানী ডা. শামস এল আরেফিন, চিকিৎসক ও রোগতত্ত্ববিদ ডা. মামুনুর রহমান মালিক এবং প্রথম আলোর বিশেষ প্রতিনিধি শিশির মোড়ল।

সংলাপে বাংলাদেশ মেডিকেল রিসার্চ কাউন্সিল (বিএমআরসি), ঢাকা মেডিকেল কলেজ, বাংলাদেশ সোসাইটি অব মেডিসিন, অবসটেট্রিক অ্যান্ড গাইনোকোলজি সোসাইটি অব বাংলাদেশ, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, ইউনিসেফ, ইউএনওপিএস ও ইউএনডিপির প্রতিনিধিরা অংশ নেন। এ ছাড়া আইইউবির স্কুল অব ফার্মেসি অ্যান্ড পাবলিক হেলথের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরাও উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন স্কুল অব ফার্মেসি অ্যান্ড পাবলিক হেলথের ডিন ডা. কামরান উল বাছেত। আইইউবির ট্রাস্টি রাশেদ চৌধুরী ও ড. হোসনে আরা আলীও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।


জিবিএন বাংলা

সম্পাদকঃ গোলাম কিবরিয়া তালুকদার
বার্তা সম্পাদকঃ মোঃ জুবায়েদ ইসলাম
প্রকাশকঃ মিজানুর রহমান মুন্সী

কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত জিবিএন বাংলা
চিকিৎসাসেবায় অক্সিজেনের সমতাভিত্তিক প্রাপ্যতা নিশ্চিতের তাগিদ
0:00 0:00
1.0x