ঘোড়াঘাটে ৬০ শিক্ষার্থীর হাতে বাইসাইকেল তুলে দিলেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. জাহিদ হোসেন
দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে দুঃস্থ, মেধাবী শিক্ষার্থী, নির্যাতিত নারী, অসহায় মানুষ ও জটিল রোগে আক্রান্ত রোগীদের মাঝে সরকারি বিভিন্ন কল্যাণ তহবিলের আর্থিক অনুদান বিতরণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে শিক্ষার প্রসার ও বিদ্যালয়ে যাতায়াত সহজ করতে ৬০ জন বালিকা শিক্ষার্থীর হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে বাইসাইকেল।শুক্রবার (২৮ আগস্ট) দুপুরে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি), সমাজসেবা অধিদপ্তর ও মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের সহযোগিতায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে অনুদানের চেক ও বাইসাইকেল বিতরণ করেন সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, এমপি।উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুবানা তানজিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, শিক্ষা ও মানবিক সহায়তার মাধ্যমে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে এগিয়ে নিতে সরকার নানা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।অনুষ্ঠানে মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের নির্যাতিত, দুঃস্থ নারী ও শিশু কল্যাণ তহবিল থেকে ১০৬ জন উপকারভোগীর মাঝে অনুদানের চেক বিতরণ করা হয়। এছাড়া সমাজসেবা অধিদপ্তরের আওতায় ৯৬ জন দুঃস্থ ও মেধাবী শিক্ষার্থীকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়।এদিকে ক্যান্সার ও কিডনি রোগে আক্রান্ত ১১ জন রোগী এবং ৬৪ জন অসহায় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সদস্যের হাতেও আর্থিক সহায়তার চেক তুলে দেওয়া হয়।পরে উপজেলার ৯টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৬০ জন বালিকা শিক্ষার্থীর মাঝে বাইসাইকেল বিতরণ করা হয়। সংশ্লিষ্টরা জানান, দূরবর্তী এলাকা থেকে বিদ্যালয়ে যাতায়াতকারী শিক্ষার্থীদের কষ্ট লাঘব এবং শিক্ষার প্রতি তাদের আগ্রহ বৃদ্ধি করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।অনুষ্ঠানে জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক আব্দুল মতিন, নবাবগঞ্জ-বিরামপুর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার হারেজ আলী, মন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব (এপিএস) ডা. মো. জাভেদ হোসেন, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মাসুদ রানা, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নিরঞ্জন কুমার, উপজেলা বিএনপির সভাপতি শামিম চৌধুরী, পৌর বিএনপির সভাপতি আব্দুস সাত্তার মিলনসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, শিক্ষার আলো সমাজের প্রতিটি স্তরে পৌঁছে দিতে সরকার কাজ করছে। বিশেষ করে মেয়েদের শিক্ষা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন সহায়ক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে, যাতে তারা নিরাপদে বিদ্যালয়ে যেতে পারে এবং পড়াশোনা চালিয়ে যেতে উৎসাহ পায়।