জিবিএন বাংলা

কাজিরহাটে সরকারি খাস জমিতে ভবন নির্মাণের অভিযোগ, আওয়ামী লীগ নেতা ফজলুল হক প্যাদার বিরুদ্ধে ক্ষোভ



কাজিরহাটে সরকারি খাস জমিতে ভবন নির্মাণের অভিযোগ, আওয়ামী লীগ নেতা ফজলুল হক প্যাদার বিরুদ্ধে ক্ষোভ
ছবিঃ জিবিএন বাংলা

বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জের কাজিরহাট থানার ভাসানচর ইউনিয়নের হেসামুদ্দি বাজারের ১ নম্বর ওয়ার্ডে সরকারি খাস জমিতে জোরপূর্বক ভবন নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে আওয়ামী লীগ নেতা ফজলুল হক প্যাদার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে বলে জানা গেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হেসামুদ্দি বাজারের ওই খাস জমিটি দীর্ঘদিন আওয়ামী লীগ নেতা শামসুল হাওলাদারের দখলে ছিল। তার মৃত্যুর পর তার ছেলে লিটন ও শাহীন ওই জমি কয়েক লাখ টাকার বিনিময়ে ফজলুল হক প্যাদার কাছে বিক্রি করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, ফজলুল হক প্যাদা কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তিকে ম্যানেজ করে সরকারি খাস জমিতে ভবন নির্মাণের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। এ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তবে জমিটি সরকারি খাস কি না এবং ভবন নির্মাণের বৈধ অনুমোদন রয়েছে কি না—তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।

এলাকাবাসী বিষয়টি তদন্ত করে সরকারি সম্পত্তি রক্ষায় দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারী কমিশনার (ভূমি)-এর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। একই সঙ্গে বিষয়টি সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নজরে আনার দাবি জানিয়েছেন তারা।

ভাসানচর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আমির আকনের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে গিয়াস উদ্দিন বাচ্চু মেম্বারের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করে বলেন, “শুধু ফজলুল হক প্যাদাই নয়, বাজারে আরও কিছু ব্যক্তি সরকারি খাস জায়গায় ঘর তুলেছেন।”

স্থানীয়দের দাবি, সরকারি খাস জমি দখল করে নির্মাণকাজ হয়ে থাকলে তা বন্ধ করে জমির সঠিক মালিকানা ও দখল পরিস্থিতি তদন্ত করা হোক। একই সঙ্গে সরকারি সম্পত্তি উদ্ধারে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

তবে এ বিষয়ে ফজলুল হক প্যাদার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী প্রতিবেদনে প্রকাশ করা হবে।

জিবিএন বাংলা

বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬


কাজিরহাটে সরকারি খাস জমিতে ভবন নির্মাণের অভিযোগ, আওয়ামী লীগ নেতা ফজলুল হক প্যাদার বিরুদ্ধে ক্ষোভ

প্রকাশের তারিখ : ৩০ আগস্ট ২০২৬

featured Image


বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জের কাজিরহাট থানার ভাসানচর ইউনিয়নের হেসামুদ্দি বাজারের ১ নম্বর ওয়ার্ডে সরকারি খাস জমিতে জোরপূর্বক ভবন নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে আওয়ামী লীগ নেতা ফজলুল হক প্যাদার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে বলে জানা গেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হেসামুদ্দি বাজারের ওই খাস জমিটি দীর্ঘদিন আওয়ামী লীগ নেতা শামসুল হাওলাদারের দখলে ছিল। তার মৃত্যুর পর তার ছেলে লিটন ও শাহীন ওই জমি কয়েক লাখ টাকার বিনিময়ে ফজলুল হক প্যাদার কাছে বিক্রি করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, ফজলুল হক প্যাদা কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তিকে ম্যানেজ করে সরকারি খাস জমিতে ভবন নির্মাণের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। এ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তবে জমিটি সরকারি খাস কি না এবং ভবন নির্মাণের বৈধ অনুমোদন রয়েছে কি না—তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।

এলাকাবাসী বিষয়টি তদন্ত করে সরকারি সম্পত্তি রক্ষায় দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারী কমিশনার (ভূমি)-এর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। একই সঙ্গে বিষয়টি সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নজরে আনার দাবি জানিয়েছেন তারা।

ভাসানচর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আমির আকনের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে গিয়াস উদ্দিন বাচ্চু মেম্বারের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করে বলেন, “শুধু ফজলুল হক প্যাদাই নয়, বাজারে আরও কিছু ব্যক্তি সরকারি খাস জায়গায় ঘর তুলেছেন।”

স্থানীয়দের দাবি, সরকারি খাস জমি দখল করে নির্মাণকাজ হয়ে থাকলে তা বন্ধ করে জমির সঠিক মালিকানা ও দখল পরিস্থিতি তদন্ত করা হোক। একই সঙ্গে সরকারি সম্পত্তি উদ্ধারে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

তবে এ বিষয়ে ফজলুল হক প্যাদার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী প্রতিবেদনে প্রকাশ করা হবে।


জিবিএন বাংলা

সম্পাদকঃ গোলাম কিবরিয়া তালুকদার
বার্তা সম্পাদকঃ মোঃ জুবায়েদ ইসলাম
প্রকাশকঃ মিজানুর রহমান মুন্সী

কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত জিবিএন বাংলা
কাজিরহাটে সরকারি খাস জমিতে ভবন নির্মাণের অভিযোগ, আওয়ামী লীগ নেতা ফজলুল হক প্যাদার বিরুদ্ধে ক্ষোভ
0:00 0:00
1.0x