জিবিএন বাংলা

বরিশালের আগৈলঝাড়া থানা ভাঙচুর মামলার এজাহারভুক্ত আসামি রিফাত ফকিরকে যশোর থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ



বরিশালের আগৈলঝাড়া থানা ভাঙচুর মামলার এজাহারভুক্ত আসামি রিফাত ফকিরকে  যশোর থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ

বৃহস্পতিবার (১৭ জুলাই) বিকেল ৪টার পর যশোর সদর উপজেলার বাহাদুরপুর তেতুলতলা মোড় এলাকায় যৌথ অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।

গ্রেপ্তার রিফাত ফকির আগৈলঝাড়া উপজেলার ফুলশ্রী ফকিরবাড়ী গ্রামের খোকন ফকিরের ছেলে। অভিযানটি পরিচালনা করেন উপশহর পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই অলোক কুমার দের নেতৃত্বাধীন একটি দল এবং বরিশাল জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের বিশেষ টিম। প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তাকে যশোর থেকে বরিশালে আনা হয়।

পুলিশ জানায়, গত ১০ জুলাই একটি চুরি মামলার আসামি রিয়াজ ফকিরকে গ্রেপ্তারের পর থানা হেফাজতে রাখা হয়েছিল। পরে তিনি অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে পড়লে শতাধিক নারী-পুরুষ বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে আগৈলঝাড়া থানায় প্রবেশ করে ভাঙচুর চালায়।

এ ঘটনায় ওই রাতেই এসআই ওমর ফারুক বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় ৪৩ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতপরিচয় আরও ৩০০ জনকে আসামি করা হয়।

এ মামলায় এর আগে প্রধান আসামি ইদ্রিস ফকির, ৩০ নম্বর আসামি রাব্বি ফকির, ৩৭ নম্বর আসামি ইয়াসমিন আক্তারসহ মোট ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। সর্বশেষ তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় রিফাত ফকিরের অবস্থান শনাক্ত করে যশোরে যৌথ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

উপশহর পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই অলোক কুমার দে বলেন, ঘটনার পর থেকেই রিফাত যশোরে আত্মগোপনে রয়েছেন—এমন তথ্য পুলিশের কাছে ছিল। পরে প্রযুক্তির সহায়তায় অবস্থান নিশ্চিত হওয়ার পর যৌথ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

জিবিএন বাংলা

শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬


বরিশালের আগৈলঝাড়া থানা ভাঙচুর মামলার এজাহারভুক্ত আসামি রিফাত ফকিরকে যশোর থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ

প্রকাশের তারিখ : ১৭ জুলাই ২০২৬

featured Image

বৃহস্পতিবার (১৭ জুলাই) বিকেল ৪টার পর যশোর সদর উপজেলার বাহাদুরপুর তেতুলতলা মোড় এলাকায় যৌথ অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।

গ্রেপ্তার রিফাত ফকির আগৈলঝাড়া উপজেলার ফুলশ্রী ফকিরবাড়ী গ্রামের খোকন ফকিরের ছেলে। অভিযানটি পরিচালনা করেন উপশহর পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই অলোক কুমার দের নেতৃত্বাধীন একটি দল এবং বরিশাল জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের বিশেষ টিম। প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তাকে যশোর থেকে বরিশালে আনা হয়।

পুলিশ জানায়, গত ১০ জুলাই একটি চুরি মামলার আসামি রিয়াজ ফকিরকে গ্রেপ্তারের পর থানা হেফাজতে রাখা হয়েছিল। পরে তিনি অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে পড়লে শতাধিক নারী-পুরুষ বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে আগৈলঝাড়া থানায় প্রবেশ করে ভাঙচুর চালায়।

এ ঘটনায় ওই রাতেই এসআই ওমর ফারুক বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় ৪৩ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতপরিচয় আরও ৩০০ জনকে আসামি করা হয়।

এ মামলায় এর আগে প্রধান আসামি ইদ্রিস ফকির, ৩০ নম্বর আসামি রাব্বি ফকির, ৩৭ নম্বর আসামি ইয়াসমিন আক্তারসহ মোট ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। সর্বশেষ তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় রিফাত ফকিরের অবস্থান শনাক্ত করে যশোরে যৌথ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

উপশহর পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই অলোক কুমার দে বলেন, ঘটনার পর থেকেই রিফাত যশোরে আত্মগোপনে রয়েছেন—এমন তথ্য পুলিশের কাছে ছিল। পরে প্রযুক্তির সহায়তায় অবস্থান নিশ্চিত হওয়ার পর যৌথ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।


জিবিএন বাংলা

সম্পাদকঃ গোলাম কিবরিয়া তালুকদার
বার্তা সম্পাদকঃ মোঃ জুবায়েদ ইসলাম
প্রকাশকঃ মিজানুর রহমান মুন্সী

কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত জিবিএন বাংলা
বরিশালের আগৈলঝাড়া থানা ভাঙচুর মামলার এজাহারভুক্ত আসামি রিফাত ফকিরকে যশোর থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ
0:00 0:00
1.0x