বরিশালের কাজিরহাট থানাধীন আন্ধারমানিক ইউনিয়নে নামাজরত অবস্থায় নৃশংসভাবে হত্যাকাণ্ডের শিকার হন নজরুল ইসলাম। ঘটনার দীর্ঘ সময় পার হলেও হত্যাকাণ্ডের প্রধান আসামি হারুন সরদারকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি স্থানীয় পুলিশ। বার বার মানববন্ধনের পরেও পুলিশের উদাসীনতায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী।
বরিশালের কাজিরহাট থানাধীন আন্ধারমানিক ইউনিয়নে শোকের ছায়া কাটছে না। ইউনিয়নটির বাসিন্দা নজরুল ইসলাম যখন সৃষ্টিকর্তার ইবাদতে মশগুল ছিলেন, ঠিক তখনই একদল দুর্বৃত্ত তাকে কুপিয়ে হত্যা করে। এই হত্যাকাণ্ডের প্রধান আসামি হারুন সরদার।
ঘটনাসূত্রে জানা যায়, হত্যাকাণ্ডের পর দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও আসামি হারুন সরদার রয়েছেন ধরাছোঁয়ার বাইরে। অথচ বিচারের দাবিতে এলাকাবাসী ও নিহতের পরিবার স্থানীয় কাজিরহাট থানায় গিয়ে এবং একাধিকবার মানববন্ধন করেও কোনো সুফল পায়নি। স্থানীয় সচেতন মহলের অভিযোগ, বারবার ধরনা দেওয়ার পরেও বিষয়টি নিয়ে পুলিশের কোনো কার্যকর পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না। এতে এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র অসন্তোষ ও নিরাপত্তার সংকট দেখা দিয়েছে।
আমরা আমাদের ভাই হত্যার বিচার চাই। খুনিরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে, আর পুলিশ বলছে আমরা দেখছি। আমরা এই বিচারহীনতার সংস্কৃতি মানি না।
প্রতিবেদক (স্বপন খান): স্থানীয়দের দাবি, পুলিশ চাইলে আসামিকে খুব সহজেই আইনের আওতায় আনতে পারতো। কিন্তু রহস্যজনক কারণে প্রধান আসামি গ্রেপ্তার না হওয়ায় এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভের মাত্রা বাড়ছে। আজ আবারও আন্ধারমানিক এলাকায় বিচারের দাবিতে সোচ্চার হয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল।
তারা এই ন্যাক্কারজনক হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত এবং প্রধান আসামি হারুন সরদারকে দ্রুত গ্রেপ্তারের জন্য প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় অপরাধী যেই হোক, তাদের দ্রুত শাস্তির আওতায় আনা হবে—এমনটাই প্রত্যাশা আন্ধারমানিক এলাকাবাসীর।