জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে একদিন বন্ধ থাকার পর দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সব ধরনের পণ্য আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম আবারও স্বাভাবিকভাবে শুরু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সকাল থেকে বন্দরে ফিরে আসে কর্মচাঞ্চল্য। ভারত ও বাংলাদেশ উভয় দিক থেকেই শুরু হয় পণ্যবাহী ট্রাকের চলাচল।
বন্দর সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সকাল ১১টা ৫৮ মিনিটে ভারত থেকে দুটি পণ্যবাহী ট্রাক হিলি স্থলবন্দরে প্রবেশের মধ্য দিয়ে আমদানি কার্যক্রম পুনরায় শুরু হয়। একই সময়ে বাংলাদেশ থেকেও বিভিন্ন ধরনের পণ্য ভারতে রপ্তানি করা হয়।
একদিনের বিরতির পর বন্দরের সার্বিক কার্যক্রম স্বাভাবিক হওয়ায় ব্যবসায়ী, শ্রমিক ও পরিবহনসংশ্লিষ্টদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
হিলি কাস্টমস সিএন্ডএফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো. ফেরদৌস রহমান বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে গত বুধবার বাংলাদেশ ও ভারতের ব্যবসায়ীদের পারস্পরিক সিদ্ধান্তে একদিনের জন্য পণ্য আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়েছিল। নির্ধারিত ছুটি শেষে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে যথারীতি সব ধরনের পণ্য আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম পুনরায় শুরু হয়েছে। বর্তমানে বন্দরের সব কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবে পরিচালিত হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, দুই দেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে সমন্বয়ের মাধ্যমে সীমান্ত বাণিজ্য নির্বিঘ্ন রাখতে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
হিলি আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জাকারিয়া জানান, পণ্য আমদানি-রপ্তানির পাশাপাশি আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে বৈধ ভিসাধারী পাসপোর্টযাত্রীদের যাতায়তও স্বাভাবিক রয়েছে। কোনো ধরনের বিঘ্ন ছাড়াই যাত্রীরা দুই দেশের মধ্যে যাতায়াত করছেন।
উল্লেখ্য, জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে বুধবার (৫ আগস্ট) বাংলাদেশ ও ভারতের ব্যবসায়ীদের যৌথ সিদ্ধান্তে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে সব ধরনের পণ্য আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম একদিনের জন্য বন্ধ ছিল। তবে ওই দিনও আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে বৈধ পাসপোর্টধারী যাত্রীদের চলাচল স্বাভাবিক ছিল। ছুটি শেষে বৃহস্পতিবার থেকে বন্দরের সব কার্যক্রম আবারও পুরোদমে চালু হয়েছে।