জিবিএন বাংলা

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গ্রাম পুনর্বহাল ও উপজেলা গঠনের উদ্যোগের প্রতিবাদে সড়ক ও রেলপথ অবরোধ, ট্রেন চলাচল বন্ধ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার বাসুদেব ইউনিয়নের ছয়টি গ্রাম পুনর্বহাল এবং সদর উপজেলাকে বিভক্ত করার উদ্যোগের প্রতিবাদে সড়ক ও রেলপথ অবরোধ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। রোববার সকাল থেকে সদর উপজেলার কোড্ডা কেবিন এলাকায় রেলপথ অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন তারা। এতে ঢাকা-চট্টগ্রাম ও ঢাকা-সিলেট রেলপথে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। অবরোধের কারণে পারাবত, পর্যটক এক্সপ্রেস, মহানগর ও সুবর্ণ এক্সপ্রেসসহ বেশ কয়েকটি ট্রেনের চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। নির্ধারিত সময়ে এসব ট্রেনের যাত্রা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। একই সঙ্গে বিক্ষোভকারীরা আখাউড়া-আগরতলা সড়ক অবরোধ করেন। এতে ভারতগামী যাত্রী ও পণ্যবাহী যানবাহনসহ সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। ফলে এ পথে চলাচলকারীরা দুর্ভোগে পড়েন। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, চলতি বছরের মে মাসে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার বাসুদেব ইউনিয়ন ভেঙে ছয়টি গ্রাম-কোড্ডা, বৈষ্ণবপুর, শ্যামনগর, কোড়াবাড়ি, চান্দি ও বরিশল নিয়ে নতুন বরিশল ইউনিয়ন পরিষদ গঠন করা হয়। ইউনিয়নটি আখাউড়া উপজেলার সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে। এ বিষয়ে গত ৪ জুন গেজেট প্রকাশ করা হয়। বাসুদেব ইউনিয়নের বাসিন্দারা শুরু থেকেই এ সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে আসছেন। তবে তাদের দাবি, এখনো এর কোনো সমাধান হয়নি। এর মধ্যে সম্প্রতি সদর উপজেলার বাসুদেব, সুলতানপুর ও রামরাইল-এই তিনটি ইউনিয়ন ভেঙে আখাউড়া উপজেলার সঙ্গে যুক্ত করা বরিশল ইউনিয়নের আওতায় এনে ‘বরিশল’ নামে নতুন একটি উপজেলা গঠনের প্রস্তাব করা হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, জেলা বিএনপির নেতা কবির আহমেদ ভূঁইয়ার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তার আবেদনের ভিত্তিতে সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য সম্প্রতি স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে একটি দাপ্তরিক চিঠি পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খাইরুল আলম বলেন, অবরোধের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসেছে। জানমালের ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে পুলিশ নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গ্রাম পুনর্বহাল ও উপজেলা গঠনের উদ্যোগের প্রতিবাদে সড়ক ও রেলপথ অবরোধ, ট্রেন চলাচল বন্ধ