জিবিএন বাংলা

‘একটি গ্রাম, একটি লাইব্রেরি’ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে শিক্ষার আলো ছড়ানোর প্রত্যয়; প্রতিদিন বই পড়তে আসছে ৪০–৫০ শিক্ষার্থী

গ্রামাঞ্চলে শিক্ষার্থী ঝরে পড়া রোধে এ্যাব নেতা কৃষিবিদ ফেরদৌস হাওলাদারের উদ্যোগ



গ্রামাঞ্চলে শিক্ষার্থী ঝরে পড়া রোধে এ্যাব নেতা কৃষিবিদ ফেরদৌস হাওলাদারের উদ্যোগ
ছবি : নিজস্ব প্রতিনিধি

গ্রামাঞ্চলে শিক্ষার প্রসার, শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া রোধ এবং নতুন প্রজন্মের মধ্যে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছেন এগ্রিকালচারিস্টস’ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (এ্যাব)-এর নেতা কৃষিবিদ মো. ফেরদৌস হাওলাদার। নিজ গ্রামের শিশু-কিশোরদের শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণ ও জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গঠনের প্রত্যয়ে তাঁর উদ্যোগে বরিশালের গৌরনদী উপজেলার কমালাপুর গ্রামে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ‘একটি গ্রাম, একটি লাইব্রেরি’। প্রতিদিন ৪০ থেকে ৫০ জন শিক্ষার্থীর উপস্থিতিতে পাঠাগারটি ইতোমধ্যে স্থানীয় শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ও জ্ঞানচর্চার অন্যতম কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে।

শুধু একটি পাঠাগার প্রতিষ্ঠা নয়, এর মাধ্যমে গ্রামাঞ্চলের শিক্ষার্থীদের জন্য পড়াশোনার সহায়ক পরিবেশ তৈরি এবং আর্থিক ও পারিবারিক সীমাবদ্ধতার কারণে শিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হওয়ার ঝুঁকি কমানোই এ উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য। উদ্যোক্তার প্রত্যাশা, এমন পাঠাগার দেশের বিভিন্ন গ্রামে প্রতিষ্ঠিত হলে শিক্ষার্থী ঝরে পড়া রোধ এবং শিক্ষার মানোন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে।

সরেজমিনে দেখা যায়, প্রতিদিন বিকেল হলেই কমালাপুরের এই লাইব্রেরিতে শিক্ষার্থীদের আনাগোনা বাড়তে থাকে। কেউ পাঠ্যবই নিয়ে পড়াশোনা করছে, কেউ সহায়ক বই ও গাইড পড়ছে, আবার কেউ পড়াশোনার বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে শিক্ষকের সহযোগিতা নিচ্ছে। তৃতীয় থেকে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের উপযোগী করে সাজানো হয়েছে পাঠাগারটি। এখানে রয়েছে বিভিন্ন শ্রেণির একাধিক সেট একাডেমিক ও সহায়ক বই। ফলে প্রয়োজনীয় বই কেনার সামর্থ্য না থাকা শিক্ষার্থীরাও বিনা খরচে বই পড়া ও পড়াশোনার সুযোগ পাচ্ছে।

কৃষিবিদ মো. ফেরদৌস হাওলাদার পেট্রোবাংলার গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানি লিমিটেডের (জিটিসিএল) ডেপুটি ম্যানেজার। পাশাপাশি তিনি জিটিসিএল অফিসার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক এবং এগ্রিকালচারিস্টস’ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (এ্যাব)-এর ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

পেশাগত ব্যস্ততার মধ্যেও নিজ গ্রামের শিশু-কিশোরদের ভবিষ্যৎ নিয়ে তাঁর ভাবনা থেকেই এ উদ্যোগের সূচনা। তাঁর উপলব্ধি, গ্রামাঞ্চলের অনেক পরিবারের পক্ষে সন্তানদের জন্য পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় সহায়ক বই ও গাইড কেনা সম্ভব হয় না। আবার অনেক শিক্ষার্থী বাড়িতে পড়াশোনার উপযুক্ত পরিবেশও পায় না। এসব সীমাবদ্ধতা দূর করে শিক্ষার্থীদের জন্য একটি উন্মুক্ত ও সহায়ক পাঠপরিবেশ গড়ে তোলার চিন্তা থেকেই তিনি লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেন।

গত ২৬ মে ২০২৬ তারিখে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও মন্ত্রী পদমর্যাদার জহির উদ্দিন স্বপন অনলাইনে লাইব্রেরিটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনের পর থেকেই স্থানীয় শিক্ষার্থীদের মধ্যে পাঠাগারটি নিয়ে আগ্রহ তৈরি হয়েছে। প্রতিদিন ৪০ থেকে ৫০ জন শিক্ষার্থীর উপস্থিতি এ উদ্যোগের প্রতি তাদের ইতিবাচক সাড়ার প্রতিফলন।

লাইব্রেরিটি শুক্রবার ছাড়া সপ্তাহে ছয় দিন খোলা থাকে। প্রতিদিন বিকেল ৫টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা এখানে পড়াশোনার সুযোগ পায়। শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে একজন শিক্ষক নিয়োজিত রয়েছেন। এ ছাড়া পাঠাগারের সার্বিক ব্যবস্থাপনা ও শৃঙ্খলা রক্ষায় দায়িত্ব পালন করছেন একজন অফিস সহায়ক।

এ উদ্যোগ বাস্তবায়ন ও পরিচালনায় স্থানীয় শিক্ষানুরাগী ব্যক্তিরাও সহযোগিতা করেছেন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন মো. মজিবর রহমান ফকির, মো. ইমরান হোসেন বারেক সরদার, মো. রফিকুল ইসলাম, মো. গোলাম কিবরিয়া তালুকদার, মো. শহিদুল ইসলাম, মো. মোকলেস মিয়া, মো. এমদাদ শিকদার, মো. মাইনুল ইসলাম মানু, মো. হায়দার তালুকদার, মো. লিটন হাওলাদার, মো. রেজাউল শিকদার, মো. শামীম হাওলাদার, মো. সাইদুল হাওলাদার, মো. সজল হাওলাদার ও মো. আবু কামাল ফকির।

উদ্যোক্তার প্রত্যাশা, এই লাইব্রেরির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পড়াশোনার অভ্যাস গড়ে উঠবে, বইয়ের প্রতি আগ্রহ বাড়বে এবং পাঠ্যবইয়ের বাইরেও জ্ঞান অর্জনের সুযোগ তৈরি হবে। পাশাপাশি আর্থিক অসচ্ছলতা কিংবা পড়াশোনার অনুকূল পরিবেশের অভাবে কোনো শিক্ষার্থী যেন শিক্ষা থেকে ঝরে না পড়ে, সে লক্ষ্যেও কাজ করবে এই উদ্যোগ।

তিনি চান, কমালাপুরের এই উদ্যোগ শুধু একটি গ্রামের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে দেশের অন্যান্য গ্রামেও ছড়িয়ে পড়ুক। সমাজের বিত্তবান, শিক্ষিত ও সচেতন ব্যক্তিরা নিজ নিজ এলাকায় এমন পাঠাগার প্রতিষ্ঠায় এগিয়ে এলে গ্রামাঞ্চলের শিক্ষাব্যবস্থায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

একটি বই মানুষের চিন্তার জগৎ বদলে দিতে পারে, আর একটি লাইব্রেরি পারে একটি প্রজন্মের সামনে সম্ভাবনার নতুন দুয়ার খুলে দিতে। সেই স্বপ্ন ও প্রত্যয় নিয়েই কমালাপুর গ্রামে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দেওয়ার কাজ করে যাচ্ছে ‘একটি গ্রাম, একটি লাইব্রেরি’ উদ্যোগ। 

বিষয় : বরিশাল গৌরনদী

জিবিএন বাংলা

রোববার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬


গ্রামাঞ্চলে শিক্ষার্থী ঝরে পড়া রোধে এ্যাব নেতা কৃষিবিদ ফেরদৌস হাওলাদারের উদ্যোগ

প্রকাশের তারিখ : ০৮ নভেম্বর ২০২৬

featured Image

গ্রামাঞ্চলে শিক্ষার প্রসার, শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া রোধ এবং নতুন প্রজন্মের মধ্যে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছেন এগ্রিকালচারিস্টস’ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (এ্যাব)-এর নেতা কৃষিবিদ মো. ফেরদৌস হাওলাদার। নিজ গ্রামের শিশু-কিশোরদের শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণ ও জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গঠনের প্রত্যয়ে তাঁর উদ্যোগে বরিশালের গৌরনদী উপজেলার কমালাপুর গ্রামে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ‘একটি গ্রাম, একটি লাইব্রেরি’। প্রতিদিন ৪০ থেকে ৫০ জন শিক্ষার্থীর উপস্থিতিতে পাঠাগারটি ইতোমধ্যে স্থানীয় শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ও জ্ঞানচর্চার অন্যতম কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে।

শুধু একটি পাঠাগার প্রতিষ্ঠা নয়, এর মাধ্যমে গ্রামাঞ্চলের শিক্ষার্থীদের জন্য পড়াশোনার সহায়ক পরিবেশ তৈরি এবং আর্থিক ও পারিবারিক সীমাবদ্ধতার কারণে শিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হওয়ার ঝুঁকি কমানোই এ উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য। উদ্যোক্তার প্রত্যাশা, এমন পাঠাগার দেশের বিভিন্ন গ্রামে প্রতিষ্ঠিত হলে শিক্ষার্থী ঝরে পড়া রোধ এবং শিক্ষার মানোন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে।

সরেজমিনে দেখা যায়, প্রতিদিন বিকেল হলেই কমালাপুরের এই লাইব্রেরিতে শিক্ষার্থীদের আনাগোনা বাড়তে থাকে। কেউ পাঠ্যবই নিয়ে পড়াশোনা করছে, কেউ সহায়ক বই ও গাইড পড়ছে, আবার কেউ পড়াশোনার বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে শিক্ষকের সহযোগিতা নিচ্ছে। তৃতীয় থেকে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের উপযোগী করে সাজানো হয়েছে পাঠাগারটি। এখানে রয়েছে বিভিন্ন শ্রেণির একাধিক সেট একাডেমিক ও সহায়ক বই। ফলে প্রয়োজনীয় বই কেনার সামর্থ্য না থাকা শিক্ষার্থীরাও বিনা খরচে বই পড়া ও পড়াশোনার সুযোগ পাচ্ছে।

কৃষিবিদ মো. ফেরদৌস হাওলাদার পেট্রোবাংলার গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানি লিমিটেডের (জিটিসিএল) ডেপুটি ম্যানেজার। পাশাপাশি তিনি জিটিসিএল অফিসার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক এবং এগ্রিকালচারিস্টস’ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (এ্যাব)-এর ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

পেশাগত ব্যস্ততার মধ্যেও নিজ গ্রামের শিশু-কিশোরদের ভবিষ্যৎ নিয়ে তাঁর ভাবনা থেকেই এ উদ্যোগের সূচনা। তাঁর উপলব্ধি, গ্রামাঞ্চলের অনেক পরিবারের পক্ষে সন্তানদের জন্য পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় সহায়ক বই ও গাইড কেনা সম্ভব হয় না। আবার অনেক শিক্ষার্থী বাড়িতে পড়াশোনার উপযুক্ত পরিবেশও পায় না। এসব সীমাবদ্ধতা দূর করে শিক্ষার্থীদের জন্য একটি উন্মুক্ত ও সহায়ক পাঠপরিবেশ গড়ে তোলার চিন্তা থেকেই তিনি লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেন।

গত ২৬ মে ২০২৬ তারিখে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও মন্ত্রী পদমর্যাদার জহির উদ্দিন স্বপন অনলাইনে লাইব্রেরিটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনের পর থেকেই স্থানীয় শিক্ষার্থীদের মধ্যে পাঠাগারটি নিয়ে আগ্রহ তৈরি হয়েছে। প্রতিদিন ৪০ থেকে ৫০ জন শিক্ষার্থীর উপস্থিতি এ উদ্যোগের প্রতি তাদের ইতিবাচক সাড়ার প্রতিফলন।

লাইব্রেরিটি শুক্রবার ছাড়া সপ্তাহে ছয় দিন খোলা থাকে। প্রতিদিন বিকেল ৫টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা এখানে পড়াশোনার সুযোগ পায়। শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে একজন শিক্ষক নিয়োজিত রয়েছেন। এ ছাড়া পাঠাগারের সার্বিক ব্যবস্থাপনা ও শৃঙ্খলা রক্ষায় দায়িত্ব পালন করছেন একজন অফিস সহায়ক।

এ উদ্যোগ বাস্তবায়ন ও পরিচালনায় স্থানীয় শিক্ষানুরাগী ব্যক্তিরাও সহযোগিতা করেছেন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন মো. মজিবর রহমান ফকির, মো. ইমরান হোসেন বারেক সরদার, মো. রফিকুল ইসলাম, মো. গোলাম কিবরিয়া তালুকদার, মো. শহিদুল ইসলাম, মো. মোকলেস মিয়া, মো. এমদাদ শিকদার, মো. মাইনুল ইসলাম মানু, মো. হায়দার তালুকদার, মো. লিটন হাওলাদার, মো. রেজাউল শিকদার, মো. শামীম হাওলাদার, মো. সাইদুল হাওলাদার, মো. সজল হাওলাদার ও মো. আবু কামাল ফকির।

উদ্যোক্তার প্রত্যাশা, এই লাইব্রেরির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পড়াশোনার অভ্যাস গড়ে উঠবে, বইয়ের প্রতি আগ্রহ বাড়বে এবং পাঠ্যবইয়ের বাইরেও জ্ঞান অর্জনের সুযোগ তৈরি হবে। পাশাপাশি আর্থিক অসচ্ছলতা কিংবা পড়াশোনার অনুকূল পরিবেশের অভাবে কোনো শিক্ষার্থী যেন শিক্ষা থেকে ঝরে না পড়ে, সে লক্ষ্যেও কাজ করবে এই উদ্যোগ।

তিনি চান, কমালাপুরের এই উদ্যোগ শুধু একটি গ্রামের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে দেশের অন্যান্য গ্রামেও ছড়িয়ে পড়ুক। সমাজের বিত্তবান, শিক্ষিত ও সচেতন ব্যক্তিরা নিজ নিজ এলাকায় এমন পাঠাগার প্রতিষ্ঠায় এগিয়ে এলে গ্রামাঞ্চলের শিক্ষাব্যবস্থায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

একটি বই মানুষের চিন্তার জগৎ বদলে দিতে পারে, আর একটি লাইব্রেরি পারে একটি প্রজন্মের সামনে সম্ভাবনার নতুন দুয়ার খুলে দিতে। সেই স্বপ্ন ও প্রত্যয় নিয়েই কমালাপুর গ্রামে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দেওয়ার কাজ করে যাচ্ছে ‘একটি গ্রাম, একটি লাইব্রেরি’ উদ্যোগ। 


জিবিএন বাংলা

সম্পাদকঃ গোলাম কিবরিয়া তালুকদার
বার্তা সম্পাদকঃ মোঃ জুবায়েদ ইসলাম
প্রকাশকঃ মিজানুর রহমান মুন্সী

কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত জিবিএন বাংলা
গ্রামাঞ্চলে শিক্ষার্থী ঝরে পড়া রোধে এ্যাব নেতা কৃষিবিদ ফেরদৌস হাওলাদারের উদ্যোগ
0:00 0:00
1.0x