জিবিএন বাংলা

প্রবাস জীবন শেষে কৃষিতেই সাফল্য: গৌরনদীর খাঞ্জাপুরে বারেক সরদারের অনুকরণীয় উদ্যোগ



প্রবাস জীবন শেষে কৃষিতেই সাফল্য: গৌরনদীর খাঞ্জাপুরে বারেক সরদারের অনুকরণীয় উদ্যোগ

দীর্ঘ ৩০ বছর প্রবাসে কঠোর পরিশ্রম করার পর নিজ গ্রামে ফিরে কৃষিকেই জীবিকার প্রধান অবলম্বন হিসেবে বেছে নিয়েছেন বরিশালের গৌরনদী উপজেলার খাঞ্জাপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা বারেক সরদার। আধুনিক ও পরিকল্পিত কৃষি ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে তিনি গড়ে তুলেছেন একটি সফল কৃষি খামার, যা বর্তমানে স্থানীয় কৃষকদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে উঠেছে।

দেশে ফিরে তিনি নিজের অব্যবহৃত জমিকে কাজে লাগিয়ে শুরু করেন কলা চাষ, পাট চাষ, নারকেল ও সুপারি বাগান এবং মাছ চাষ। নিষ্ঠা, পরিশ্রম ও আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির ব্যবহার করে অল্প সময়েই তিনি এসব খাতে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেন। তার খামারে উৎপাদিত ফসল ও মাছ স্থানীয় বাজারের চাহিদাও পূরণ করছে।

বারেক সরদার বলেন, “প্রবাসে দীর্ঘদিন কাটানোর পর বুঝেছি, নিজের দেশের মাটির মতো শান্তি আর কোথাও নেই। সঠিক পরিকল্পনা ও পরিশ্রমের মাধ্যমে কৃষি থেকে ভালো আয় করা সম্ভব। তাই আমি কৃষিকে পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছি। তরুণদেরও চাকরির পেছনে না ছুটে কৃষির প্রতি আগ্রহী হওয়ার আহ্বান জানাই।

স্থানীয়দের ভাষ্য, বারেক সরদারের এ সফলতা প্রমাণ করেছে যে, আধুনিক কৃষি ব্যবস্থাপনা গ্রহণ করলে কৃষিও হতে পারে লাভজনক ও সম্মানজনক পেশা। তার দেখানো পথ অনুসরণ করে এলাকার অনেক তরুণ ও প্রবাসফেরত ব্যক্তি কৃষিকাজে আগ্রহী হয়ে উঠছেন।

কৃষি সংশ্লিষ্টদের মতে, প্রবাসফেরতদের এ ধরনের উদ্যোগ দেশের কৃষি ও গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বারেক সরদারের মতো সফল কৃষি উদ্যোক্তারা নতুন প্রজন্মকে কৃষির প্রতি আগ্রহী করতে ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করছেন।

জিবিএন বাংলা

শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬


প্রবাস জীবন শেষে কৃষিতেই সাফল্য: গৌরনদীর খাঞ্জাপুরে বারেক সরদারের অনুকরণীয় উদ্যোগ

প্রকাশের তারিখ : ১৭ জুলাই ২০২৬

featured Image


দীর্ঘ ৩০ বছর প্রবাসে কঠোর পরিশ্রম করার পর নিজ গ্রামে ফিরে কৃষিকেই জীবিকার প্রধান অবলম্বন হিসেবে বেছে নিয়েছেন বরিশালের গৌরনদী উপজেলার খাঞ্জাপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা বারেক সরদার। আধুনিক ও পরিকল্পিত কৃষি ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে তিনি গড়ে তুলেছেন একটি সফল কৃষি খামার, যা বর্তমানে স্থানীয় কৃষকদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে উঠেছে।

দেশে ফিরে তিনি নিজের অব্যবহৃত জমিকে কাজে লাগিয়ে শুরু করেন কলা চাষ, পাট চাষ, নারকেল ও সুপারি বাগান এবং মাছ চাষ। নিষ্ঠা, পরিশ্রম ও আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির ব্যবহার করে অল্প সময়েই তিনি এসব খাতে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেন। তার খামারে উৎপাদিত ফসল ও মাছ স্থানীয় বাজারের চাহিদাও পূরণ করছে।

বারেক সরদার বলেন, “প্রবাসে দীর্ঘদিন কাটানোর পর বুঝেছি, নিজের দেশের মাটির মতো শান্তি আর কোথাও নেই। সঠিক পরিকল্পনা ও পরিশ্রমের মাধ্যমে কৃষি থেকে ভালো আয় করা সম্ভব। তাই আমি কৃষিকে পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছি। তরুণদেরও চাকরির পেছনে না ছুটে কৃষির প্রতি আগ্রহী হওয়ার আহ্বান জানাই।

স্থানীয়দের ভাষ্য, বারেক সরদারের এ সফলতা প্রমাণ করেছে যে, আধুনিক কৃষি ব্যবস্থাপনা গ্রহণ করলে কৃষিও হতে পারে লাভজনক ও সম্মানজনক পেশা। তার দেখানো পথ অনুসরণ করে এলাকার অনেক তরুণ ও প্রবাসফেরত ব্যক্তি কৃষিকাজে আগ্রহী হয়ে উঠছেন।

কৃষি সংশ্লিষ্টদের মতে, প্রবাসফেরতদের এ ধরনের উদ্যোগ দেশের কৃষি ও গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বারেক সরদারের মতো সফল কৃষি উদ্যোক্তারা নতুন প্রজন্মকে কৃষির প্রতি আগ্রহী করতে ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করছেন।


জিবিএন বাংলা

সম্পাদকঃ গোলাম কিবরিয়া তালুকদার
বার্তা সম্পাদকঃ মোঃ জুবায়েদ ইসলাম
প্রকাশকঃ মিজানুর রহমান মুন্সী

কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত জিবিএন বাংলা
প্রবাস জীবন শেষে কৃষিতেই সাফল্য: গৌরনদীর খাঞ্জাপুরে বারেক সরদারের অনুকরণীয় উদ্যোগ
0:00 0:00
1.0x