আজ শুক্রবার (২৪ জুলাই) তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে তার পদত্যাগপত্র জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের কাছে হস্তান্তর করেন।
আজ শুক্রবার বিকেলে রাষ্ট্রপতির সহকারী একান্ত সচিব এইচএম সাগর এ তথ্য জানিয়েছেন। বিকেল সাড়ে চারটার দিকে তিনি রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র নিয়ে জাতীয় সংসদ ভবনে আসেন। সেখানে স্পিকারের হাতে পদত্যাগপত্র জমা দেন তিনি।
এইচ এম সাগর বলেন, স্বাস্থ্যগত কারণে রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করেছেন।
এদিকে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে সংবাদ সম্মেলনে আসছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। আজ বিকেল ৫টায় জাতীয় সংসদ ভবনে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এনটিভি অনলাইনকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে ব্যক্তিগত সফর সংক্ষিপ্ত করে আজ দুপুর ১২টা ১৫ মিনিটে থাইল্যান্ডের ব্যাংকক থেকে ঢাকা ফিরেন হাফিজ উদ্দিন আহমদ। বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘রাষ্ট্রপতি যদি পদত্যাগ করেন, তবে ৯০ দিনের মধ্যে সংসদে নির্বাচনের মাধ্যামে পরবর্তী রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হবে। এটাই সংবিধানের নিয়ম।’
স্পিকার আরও বলেন, রাষ্ট্রপতি যদি পদত্যাগ করেন, তবে স্পিকারের কাছেই করবেন। এরপর ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে স্পিকার দায়িত্ব পালন করেন।
সংসদ সচিবালয়ের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ ইস্যুতেই জরুরি সংবাদ সম্মেলনে আসছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।
২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল মো. সাহাবুদ্দিন পাঁচ বছরের জন্য দেশের ২২ তম রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নেন। সে হিসাবে তার মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিলে শেষ হওয়ার কথা ছিল। তবে মেয়াদ শেষ হওয়ার প্রায় পৌনে দুই বছর আগেই তিনি পদত্যাগ করলেন।